• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩১ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

অবশেষে বিজেপিতে যোগ দিলেন মুকুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ০৪ নভেম্বর: সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বিজেপিতে যোগ দিলেন মুকুল রায়। আজ শুক্রবার ভারতের রাজধানী দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে পদ্ম শিবিরে যোগদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন তিনি। শুক্রবার বিকেল সাড়ে পাঁচটায় দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতর ১১ অশোকা রোডে বিজেপি’র সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীর হাত থেকে উত্তরীয় নিয়ে বিজেপির সদস্য হলেন তৃণমূলের এক সময়ের চাণক্য।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, শাসক দল বিজেপি’র কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশংকর প্রসাদ। বিজেপি’র দুই শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতিতে মুকুল রায় পদ্ম শিবিরে যোগ দিলেন। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, পশ্চিম বাংলার পঞ্চায়েত নির্বাচন ও ত্রিপুরার বিধানসভা নির্বাচনে মুকুল রায়কে বড়সড় দায়িত্ব দিতে চলেছে বিজেপি।
প্রসঙ্গত, বাম শাসনামলের শেষদিকে পশ্চিম বাংলার মানুষ যে হাঁফিয়ে উঠেছিলেন, তা অধিকাংশ রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করেন। ফলে ২০১১ সালে বিকল্প হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সেই সময় বেছে নিয়েছিলেন সাধারণ জনগণ। কার্যত নেগেটিভ ভোটেই সেবার পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছিল মমতার তৃণমূল।
বিজেপি’র একটি অংশের দাবি, মুকুল রায় ছিলেন তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কম্যান্ড। ফলে তৃণমূলের ভিতরের সব খবরই তিনি জানেন। তাছাড়া এতদিন মুকুল রায়কেই পশ্চিম বাংলার রাজনীতির চাণক্য হিসেবে দেখেছেন। তাই রাজ্যের মানুষকে তিনিই ভাল জানেন বলে ধারণা বিজেপির।
বিজেপি’র কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ বলেন, ‘তৃণমূলের শক্তিবৃদ্ধিতে মুকুল রায়ের বড় ভূমিকা ছিল। তাই মুকুল আসায় বিজেপি’রই লাভ হবে।’
এদিকে মুকুল রায় বলেন, ‘বিজেপিতে যোগ দিতে পেরে, মোদী-অমিত শাহ’র নেতৃত্বে কাজ করার সুযোগ পেয়ে তিনি গর্বিত। আগামী ২০১৯ ও ২০২১-এ পশ্চিম বাংলায় ক্ষমতায় আসছে বিজেপি।’ এছাড়া বিজেপি সাম্প্রদায়িক দল নয় বলে উল্লেখ করেন মুকুল।
উল্লেখ্য, বর্তমানে ভারতের অধিকাংশ রাজ্যে রাজ্য সরকার হিসেবে বিজেপি’র সরকার শাসন করছে। কিন্তু পশ্চিম বাংলায় বিজেপি’র অবস্থা নাজুক। তাই বাংলার ক্ষমতা নিতে মরিয়া মোদী-অমিতের গেরুয়া ‍শিবির।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ